মেধাবী তরুণরাই বাংলাদেশকে সাফল্যের চূড়ায় নেবে

১০ আগষ্ট, ২০২০ ১৪:১১  

ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন বাস্তব হওয়ায় গত ৫ মাসের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব সত্বেও ডিজিটালি সংযুক্ত থাকা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেছেন, বর্তমানে আমাদের তরুণরা উদ্ভাবনী কাজে দেশ এবং বিদেশে দেশের ভাবমর্যাদা উজ্জ্বল করছে। মেধার বিচ্ছুরণে তারা দেশের পাশপাশি বিশ্বসভায়ও বাংলাদেশে নাম গৌরবময় করছে। তাদের মাধ্যমে আমরা অবশ্যই সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছতে পারবো। বক্তব্যে খুলনা প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও চুয়েটে একটি করে বিজনেস ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন করার পর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাউড কম্পিউটিং, বিগ ডেটা অ্যানলাইসিস ও ইন্টারনেট অব থিংকসের মতো বিশেষায়িত ল্যাব স্থাপনের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। পলক বলেন, আমি আশা করছি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং আইসিটি ইন্ডাস্ট্রি এখন বুঝতে পেরেছে মেধাবীদের প্রশিক্ষণ দেয়া কতটা গুরুত্ববহ। আমরা এখন ভবিষ্যতের এই অঙ্কুরোদগমে বিনিয়োগে আলোকপাত করতে পারি। গত এক দশক ধরে প্রযুক্তি বান্ধব সরকার এ কারণে তরুণদের প্রেষণা যোগাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।  বলেছেন  "তরুণরা যেকোনো উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। তাদের ইতিবাচক বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।”

 সোমবার হুয়াওয়ে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ সিডস ফর ফিউচার’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
হুয়াওয়ে টেকনোলোজিস বাংলাদেশের সিইও ঝ্যাং ঝেং জুন এসময় সংযুক্ত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের চেয়ারম্যান ড. এস. এম. মোস্তফা আল মামুন, বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. আশিকুর রহমান, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের প্রধান ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. বশির আহমেদ এবং বিগত বছরের এই প্রোগ্রামের দুই বিজয়ী।